ডাকসু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়ন (ডাকসু), বাংলাদেশের শিক্ষা ইতিহাসে একটি অপরিহার্য অধ্যায়। এটি কেবল ছাত্রদের প্রতিনিধিত্বের একটি প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন পর্যন্ত, ডাকসুর ইতিহাস দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। এই ঐতিহাসিক সংগঠনের সংবিধান, যা ১৯২২-২৩ সালে প্রতিষ্ঠার সাথে সাথে গড়ে উঠেছে, ছাত্রদের অধিকার, দায়িত্ব এবং সংগঠনের কাঠামো নির্ধারণ করে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই সংবিধানের কিছু দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে, যা সংস্কারের চাহিদা তৈরি করেছে।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ডাকসুর সংবিধানের ঐতিহাসিক বিকাশের একটি মাইলফলক। এই আন্দোলনে ছাত্ররা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আত্মত্যাগ করেন, যা পরবর্তীকালে ডাকসুর সংবিধানে ছাত্র অধিকারের ভিত্তি স্থাপন করে। সেই সময় থেকে ডাকসুর সংবিধান বারবার পরিবর্তিত হয়েছে – ব্রিটিশ আমলের ১৪টি নির্বাচন, পাকিস্তান আমলে ১৬টি, কিন্তু স্বাধীনতার পর ৫৪ বছরে মাত্র ৭টি নির্বাচন। এই দীর্ঘ বিরতি সংবিধানের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার দুর্বলতা প্রকাশ করে। ২০২৫ সালের নির্বাচন, যা আজ ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে, এই ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ। এই নির্বাচনে নতুন সংস্কারের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে, যা ছাত্র কল্যাণের ভবিষ্যতকে নির্ধারণ করবে।
ডাকসুর সংবিধানের ঐতিহাসিক বিকাশ দেখলে বোঝা যায়, এটি কেবল একটি নথি নয়, বরং ছাত্র আন্দোলনের প্রতিফলন। ১৯৫৩-৫৪ সালে এর নামকরণ ঘটে, এবং সংবিধানে সদস্যপদ, নির্বাচন এবং কার্যক্রমের বিস্তারিত বর্ণনা থাকে। কিন্তু স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে নির্বাচন বন্ধ হয়ে যায়, যা সংবিধানের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করে। সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের পর, ২০২৪-এর পরিবর্তনকারী সরকারের অধীনে এই নির্বাচনের ঘোষণা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই নির্বাচনে প্রার্থীরা সংবিধান সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন – যেমন সরাসরি নির্বাচিত সভাপতি, মহিলা প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি এবং অটোক্র্যাটিক ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা। এই সংস্কারগুলো ছাত্র কল্যাণকে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে, যেমন ক্যাম্পাস নিরাপত্তা, আর্থিক সহায়তা এবং শিক্ষা সংস্কার।
এই ব্লগ প্রবন্ধে আমরা ডাকসুর সংবিধানের ঐতিহাসিক বিকাশ, ২০২৫-এর নির্বাচনে সংস্কারের সম্ভাবনা এবং ছাত্র কল্যাণের ভবিষ্যত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। এটি শুধু ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্য একটি রোডম্যাপ। ডাকসুকে পুনরুজ্জীবিত করতে সংস্কার অপরিহার্য, কারণ এটি ছাত্রদের কণ্ঠস্বর এবং দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের প্রতীক।
সংবিধানের ঐতিহাসিক বিকাশ: ১৯৫২ থেকে ২০২৫
ডাকসুর সংবিধানের ঐতিহাসিক বিকাশ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাথে অঙ্গাঙ্গী। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরপরই, ১৯২২ সালের ১ ডিসেম্বর একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ছাত্র ইউনিয়ন গঠনের। প্রথমে এটি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়ন’ নামে পরিচিত ছিল, এবং ১৯২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে এর কার্যক্রম শুরু হয়। ব্রিটিশ আমলে ১৪টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা সংবিধানের প্রাথমিক কাঠামো গড়ে তোলে – সদস্যপদ, নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্ব। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গঠনের পর, ১৯৫৩-৫৪ সালে এর নাম হয় ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়ন’ (ডাকসু), এবং সংবিধানে জাতীয়তাবাদী চেতনা যুক্ত হয়।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ডাকসুর সংবিধানের একটি টার্নিং পয়েন্ট। এই আন্দোলনে ডাকসুর নেতারা, যেমন আব্দুর রব, ভাষা রক্ষার জন্য নেতৃত্ব দেন। সংবিধানে তখন ছাত্র অধিকারের ধারা যুক্ত হয়, যা ভাষা ও সংস্কৃতির সুরক্ষা নিশ্চিত করে। পাকিস্তান আমলে ১৬টি নির্বাচন হয়, এবং সংবিধানে ১৯৬৬-এর ষড়দল আন্দোলন এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রভাব পড়ে। এই সময় সংবিধানে রাজনৈতিক সক্রিয়তার ধারা যুক্ত হয়, যা ছাত্রদের জাতীয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়। ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে ডাকসুর নেতারা যুদ্ধে অংশ নেন, এবং স্বাধীনতার পর সংবিধানে মুক্তিযোদ্ধা ছাত্রদের বিশেষ স্থান দেওয়া হয়।
স্বাধীন বাংলাদেশে ডাকসুর সংবিধানের বিকাশ জটিল। ১৯৭২ সালে প্রথম নির্বাচন হয়, কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতায় পরবর্তী নির্বাচন বিলম্বিত হয়। ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত হয়, কিন্তু সংবিধানে সভাপতির অটোক্র্যাটিক ক্ষমতা (যিনি পরোক্ষ নির্বাচিত) একটি সমস্যা হয়ে ওঠে। ১৯৮০-এর দশকে এরশাদের আমলে নির্বাচন বন্ধ, এবং ১৯৯০ সালের শেষ নির্বাচন পর্যন্ত কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই সময় সংবিধানে সংশোধনের প্রয়োজন দেখা দেয় – যেমন মহিলা প্রতিনিধিত্ব, যা শুধুমাত্র ১৯৬০-৬১ সালে একজন মহিলা নেত্রীর নির্বাচনের মাধ্যমে সীমিত ছিল।
২০০০-এর দশকে ডাকসুর সংবিধানে ছোটখাটো সংশোধন হয়, কিন্তু রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে নির্বাচন হয়নি। ২০২৪-এর ছাত্র আন্দোলনের পর, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচনের ঘোষণা দেয়, এবং সংবিধানে সংস্কারের দাবি উঠে। বর্তমান সংবিধানে সদস্যপদের যোগ্যতা (যেমন নিয়মিত ছাত্র), নির্বাচনী কমিটি এবং কার্যক্রমের বিবরণ আছে, কিন্তু এতে আধুনিক চ্যালেঞ্জ যেমন ডিজিটাল ভোটিং বা ক্যাম্পাস নিরাপত্তার কোনো উল্লেখ নেই। ২০২৫ সালে এই সংবিধান ১০০ বছরের ঐতিহ্য বহন করে, কিন্তু সংস্কার ছাড়া এর প্রাসঙ্গিকতা হ্রাস পাবে। ঐতিহাসিকভাবে, ডাকসু দেশের দ্বিতীয় সংসদ হিসেবে পরিচিত, এবং এর সংবিধানের বিকাশ ছাত্রদের স্বাধীনতার প্রতীক।
২০২৫-এর নির্বাচনে নতুন সংস্কারের সম্ভাবনা
২০২৫ সালের ডাকসু নির্বাচন বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির একটি লিটমাস টেস্ট। ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে প্রথমবারের মতো, যা ১৯৯০ সালের পর প্রথম। এতে ২৫টি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, এবং প্রার্থীরা সংবিধান সংস্কারকে কেন্দ্র করে প্রচার চালাচ্ছেন। ঐতিহাসিকভাবে, ডাকসুর নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার সূচক, এবং এবারের নির্বাচনে নতুন সংস্কারের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। প্রধান দাবি হলো সরাসরি নির্বাচিত সভাপতি, যা বর্তমান পরোক্ষ নির্বাচনের অটোক্র্যাটিকতা দূর করবে।
নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে, বিভিন্ন প্যানেলের ম্যানিফেস্টোতে সংস্কারের উল্লেখ আছে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশ ছাত্রদলের ম্যানিফেস্টোতে ছাত্র কল্যাণ, শিক্ষা সংস্কার এবং ক্যাম্পাস নিরাপত্তা উল্লেখ করে সংবিধানে ৯-দফা সংশোধনের প্রস্তাব। এতে সভাপতির ক্ষমতা সীমিত করা, মহিলা প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি (বর্তমানে মাত্র ৩ জন মহিলা নেত্রী নির্বাচিত) এবং ডিজিটাল নির্বাচনী প্রক্রিয়া যুক্ত করা অন্তর্ভুক্ত। রেজিস্ট্যান্স কাউন্সিল প্যানেলের জেনারেল সেক্রেটারি প্রার্থী মেঘমল্লার বাসু বলেছেন, “আমাদের প্রধান লক্ষ্য এক বছর ৩ মাসের মধ্যে আরেক নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা এবং সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তোলা।” এই নির্বাচন ফ্র্যাজাইল অ্যালায়েন্স এবং ডিজিটাল প্রচারের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, কিন্তু এটি সংস্কারের সুযোগ তৈরি করছে।
সম্ভাব্য সংস্কারের মধ্যে একটি হলো নির্বাচনী কমিটির শক্তিশালীকরণ। বর্তমান সংবিধানে নির্বাচন কমিটি সভাপতির অধীনে, যা পক্ষপাতের আশঙ্কা তৈরি করে। সংস্কারে এটিকে স্বাধীন করা যেতে পারে, যাতে ফেয়ার ইলেকশন নিশ্চিত হয়। এছাড়া, ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে কো-এক্সিসটেন্স প্রমোট করার জন্য সংবিধানে নতুন ধারা যুক্ত করা দরকার, যা রাজনৈতিক সহিংসতা কমাবে। মহিলা ছাত্রীদের দাবি অনুসারে, হলের সুবিধা এবং হ্যারাসমেন্ট-ফ্রি ক্যাম্পাসের জন্য সংবিধানে বিশেষ অধ্যায় যুক্ত হতে পারে। এই নির্বাচনে শিবির-সমর্থিত প্যানেলসহ বিভিন্ন গ্রুপের অংশগ্রহণ সংস্কারের বৈচিত্র্য তৈরি করছে।
২০২৫-এর নির্বাচনের ফলাফল সংস্কারের গতি নির্ধারণ করবে। যদি সংস্কারমুখী প্যানেল জয়ী হয়, তাহলে ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশকে অর্থবহ করার উদ্যোগ নেওয়া যাবে, যেমন অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অটোক্রেসি শেষ করা। এটি ডাকসুকে পুনরায় ছাত্রদের কণ্ঠস্বর করে তুলবে, এবং দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে, চ্যালেঞ্জ রয়েছে – পুরনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং অর্থের প্রভাব। সংস্কারের সম্ভাবনা উজ্জ্বল, কারণ ছাত্ররা এবার সচেতন এবং দাবিমুখী।
ছাত্র কল্যাণের ভবিষ্য৫: সংস্কারের আলোকে
ডাকসুর সংবিধান সংস্কার ছাত্র কল্যাণের ভবিষ্যতকে নতুন আকার দেবে। ঐতিহাসিকভাবে, ডাকসু ছাত্রদের কল্যাণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল – মাদুর ক্যান্টিন থেকে আন্দোলনের জন্ম, আর্থিক সহায়তা থেকে ক্যাম্পাস নিরাপত্তা। কিন্তু দীর্ঘ বিরতির পর, ২০২৫-এর নির্বাচন এই কল্যাণকে পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ। ভবিষ্যতে, সংস্কারের মাধ্যমে ডাকসু শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে পারে।
প্রথমত, আর্থিক কল্যাণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র কল্যাণ তহবিল (Student Welfare Fund) আছে, কিন্তু সংস্কারে এটিকে শক্তিশালী করা যাবে। নতুন সংবিধানে ইমার্জেন্সি ফিনান্সিয়াল এইড (মাসিক ৩,০০০ টাকা) এবং স্কলারশিপের জন্য বিশেষ ধারা যুক্ত হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য ২০৩৫ সালের মধ্যে ডাকসুকে গবেষণা-ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় করা, যাতে ছাত্ররা ডিপ্রেশনমুক্ত থাকে। মহিলা ছাত্রীদের জন্য হল সিট নিশ্চিতকরণ এবং হ্যারাসমেন্ট প্রতিরোধের জন্য সংবিধানে নতুন কমিটি গঠন সম্ভব।
দ্বিতীয়ত, ক্যাম্পাস নিরাপত্তা এবং শিক্ষা সংস্কার। সাম্প্রতিক আন্দোলনের পর ক্যাম্পাস পুনরায় খোলা হয়েছে, কিন্তু রাজনৈতিক বিভেদ রয়েছে। সংস্কারে ডাকসুকে হ্যারাসমেন্ট-ফ্রি এনভায়রনমেন্ট তৈরির দায়িত্ব দেওয়া যাবে, যেমন সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ইনস্টিটিউটের সাথে সহযোগিতা। ভবিষ্যতে, ডাকসু গ্লোবাল টাইস গড়ে তুলতে পারে, যাতে ছাত্ররা আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ পায়। ইউজিসি-এর সহযোগিতায় স্পেশাল ফান্ড তৈরি করে গবেষণা-ভিত্তিক কল্যাণ প্রকল্প চালু করা যাবে।
তৃতীয়ত, দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যৎ। সংস্কারের মাধ্যমে ডাকসুকে ডেমোক্র্যাটিক এবং রিসার্চ-ড্রিভেন ফাউন্ডেশন গড়ে তোলা যাবে। এতে ছাত্ররা রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠবে, কিন্তু সহিংসতা ছাড়াই। ২০২৫-এর নির্বাচনের পর, নতুন নেতৃত্ব এই কল্যাণকে বাস্তবায়িত করবে, যা দেশের যুবশক্তিকে শক্তিশালী করবে। চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, এই ভবিষ্যৎ আশাবাদী।
ডাকসুর ঐতিহাসিক সংবিধান ১৯৫২ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার সাক্ষী। সংস্কারের মাধ্যমে এটি ছাত্র কল্যাণের নতুন যুগ শুরু করবে। এখন সময় কাজ করার।

