ভারতের RAW-এর বাংলাদেশে কার্যকলাপ
কল্পনা করুন একটি অদৃশ্য হাত যা ইতিহাসের পাতায় লেখা হয়ে যায়, যা দেশের সীমান্ত পেরিয়ে রাজনৈতিক ঝড় তোলে, এবং যা গোপন অভিযানের মাধ্যমে ভাগ্য নির্ধারণ করে। এই অদৃশ্য হাতটি হলো ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘RAW’ বা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই সংস্থার কার্যকলাপ একটি রহস্যময় অধ্যায়, যা মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে আধুনিক রাজনৈতিক অস্থিরতা পর্যন্ত বিস্তৃত। আজকের এই ব্লগে আমরা এই কার্যকলাপের গভীরে ডুব দেব, ঐতিহাসিক ঘটনা, অভিযোগ এবং প্রভাব নিয়ে আলোচনা করব। নতুন তথ্য যোগ করে এবং চারটি নতুন বিভাগ যুক্ত করে এই নিবন্ধকে আরও সমৃদ্ধ করা হয়েছে। এটি শুধু একটি নিবন্ধ নয়, বরং একটি রোমাঞ্চকর যাত্রা যা আপনাকে ভাবতে বাধ্য করবে: ভারতের RAW কি বাংলাদেশের বন্ধু না শত্রু? চলুন শুরু করি এই রহস্যের উন্মোচন।
Table of Contents
RAW-এর জন্ম এবং উদ্দেশ্য: একটি গোপন যোদ্ধার উত্থান
ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা RAW-এর গল্প শুরু হয় ১৯৬৮ সালে, যখন চীন-ভারত যুদ্ধ এবং পাকিস্তানের সাথে উত্তেজনা ভারতকে একটি শক্তিশালী বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করায়। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নির্দেশে গঠিত এই সংস্থা দিল্লিতে তার সদর দপ্তর স্থাপন করে। RAW-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো বিদেশি গোয়েন্দা সংগ্রহ, অভিযান পরিচালনা এবং ভারতের স্বার্থ রক্ষা করা। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর কার্যকলাপ আরও গভীর। ১৯৬০-এর দশক থেকেই ভারতীয় গোয়েন্দারা পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) সক্রিয় ছিলেন, যা ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত রূপ নেয়।

RAW-এর প্রথম সফলতা ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতায়। সংস্থাটি মুক্তিবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়, অস্ত্র সরবরাহ করে এবং গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে দুর্বল করে। যাতিশ যাদবের বই “RAW: A History of India’s Covert Operations”-এ উল্লেখ করা হয়েছে যে, RAW পূর্ব পাকিস্তানে গোপন অভিযান চালিয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করে। এটি ছিল একটি মাস্টারস্ট্রোক, যা না শুধু বাংলাদেশকে স্বাধীন করে, বরং পাকিস্তানকে দুর্বল করে ভারতের ভূ-রাজনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করে। কিন্তু এই সহায়তার পিছনে কি ছিল শুধুমাত্র মানবিকতা, না কি ভারতের স্বার্থ? সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় যে, ১৯৭১-এর যুদ্ধে RAW-এর ভূমিকা ছিল ‘গোপন যুদ্ধ’ এর মতো, যেখানে তারা ২০,০০০ গেরিলা যোদ্ধা প্রশিক্ষণ দেয় প্রতি মাসে।
মুক্তিযুদ্ধের পর: গোপন হাতের ছায়া রাজনীতিতে
১৯৭১-এর পর RAW-এর কার্যকলাপ বাংলাদেশে থামেনি। অভিযোগ উঠেছে যে, সংস্থাটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডে RAW-এর ভূমিকা নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে। কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, RAW সিআইএ-র সাথে যৌথভাবে এতে জড়িত ছিল। যদিও ভারতীয় পক্ষ এটি অস্বীকার করে, তবে বাংলাদেশী গোয়েন্দা নথিতে এই অভিযোগের উল্লেখ পাওয়া যায়। আরও তথ্য যোগ করে বলা যায় যে, জেনারেল এরশাদের শাসনকালেও RAW-এর অভিযান চলতে থাকে, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর হুমকি মোকাবিলায়।
১৯৮০-এর দশকে RAW-এর ফোকাস ছিল বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা। অভিযোগ রয়েছে যে, সংস্থাটি চাকমা বিদ্রোহীদের প্রশিক্ষণ দেয় এবং ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। এছাড়া, ২০০৯-এর বিডিআর বিদ্রোহকে RAW-এর সবচেয়ে বড় অভিযান বলে মনে করা হয়। কিছু সূত্রে বলা হয়েছে যে, এটি ছিল বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার একটি পরিকল্পনা। বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন, এবং এর পিছনে ভারতীয় গোয়েন্দাদের হাত ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। নতুন তথ্য অনুসারে, আইএসআই এই ঘটনায় RAW-কে দোষারোপ করে, কারণ তারা ভয় পেয়েছিল যে তাদের সম্পদগুলো উন্মোচিত হয়ে যাবে।
আরও আকর্ষণীয় হলো RAW-এর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ। শেখ হাসিনার সরকারকে RAW-এর সমর্থনের অভিযোগ ব্যাপক। ২০০৯ সাল থেকে হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর, বাংলাদেশে ভারতীয় প্রভাব বাড়তে থাকে। অভিযোগ রয়েছে যে, RAW আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে, বিরোধীদের দমন করে এবং নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে। উদাহরণস্বরূপ, জামায়াতে ইসলামীর কার্যকলাপ দমনের জন্য RAW-এর অভিযানের কথা অমর ভূষণের বই “Zero Cost Mission”-এ উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন সূত্র থেকে জানা যায় যে, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে RAW-এর ভূমিকা ছিল ‘ওপেন সিক্রেট’।
RAW-এর গঠন এবং অপারেশনাল কৌশল: অদৃশ্য যুদ্ধের যন্ত্র
RAW-এর গঠনটি অত্যন্ত গোপনীয় এবং কার্যকর। এটি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অধীনে কাজ করে, এবং এর কর্মকর্তারা আইপিএস, আইএএস এবং সেনাবাহিনী থেকে নির্বাচিত হয়। সংস্থাটির অপারেশনাল কৌশলগুলোতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে গোয়েন্দা সংগ্রহ, সাইবার অভিযান এবং কভার্ট অপারেশন। বাংলাদেশে, RAW তার এজেন্টদের মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যম, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক এবং রাজনৈতিক সংগঠনগুলোতে অনুপ্রবেশ করে। সাম্প্রতিক অভিযোগ অনুসারে, ভারত বাংলাদেশে ১০০,০০০ RAW এজেন্ট নিয়োগ করে সামরিক এবং সিভিল প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করেছে। এছাড়া, মোসাদের সাথে যৌথ অভিযানে RAW বাংলাদেশের সচিবালয় নিয়ন্ত্রণ করে বলে রিপোর্ট রয়েছে। এই কৌশলগুলো RAW-কে অদৃশ্য করে রাখে, কিন্তু প্রভাবশালী করে তোলে। এক্স প্ল্যাটফর্মে (পূর্বে টুইটার) অভিযোগ উঠেছে যে, RAW এজেন্টরা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নিয়ে অপারেশন চালায়।
বাংলাদেশী গোয়েন্দা সংস্থার সাথে সম্পর্ক এবং সংঘর্ষ: ছায়াযুদ্ধের ময়দান
RAW এবং বাংলাদেশের ডিজিএফআই বা এনএসআই-এর মধ্যে সম্পর্ক জটিল। একদিকে, মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা ছিল, অন্যদিকে পরবর্তীকালে সংঘর্ষ। অভিযোগ রয়েছে যে, RAW বাংলাদেশী গোয়েন্দাদের অনুপ্রবেশ করে এবং তাদের সাথে যৌথ অভিযান চালায়, কিন্তু প্রায়শই স্বার্থের সংঘাত হয়। উদাহরণস্বরূপ, পাহাড়ি অঞ্চলে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে RAW-কে দোষারোপ করা হয়, যা বাংলাদেশী গোয়েন্দাদের সাথে সংঘর্ষ সৃষ্টি করে। সাম্প্রতিক ঘটনায়, ভারতীয় মিডিয়ার মিথ্যা প্রচারণায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী RAW-কে দায়ী করে। এছাড়া, পাকিস্তানের আইএসআই এবং RAW-এর মধ্যে বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে ছায়াযুদ্ধ চলছে, যেখানে বাংলাদেশী সংস্থাগুলো মাঝামাঝি অবস্থানে।
উল্লেখযোগ্য অভিযান: কেস স্টাডি এবং গোপন কাহিনী
RAW-এর কিছু উল্লেখযোগ্য অভিযানের কেস স্টাডি দেখলে বোঝা যায় এর কার্যকলাপের গভীরতা। প্রথমত, ১৯৭১-এর ‘সিক্রেট ওয়ার’ যেখানে RAW ভারতীয় বিমান হাইজ্যাকিংকে ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন হিসেবে ব্যবহার করে পাকিস্তানি উড়ান নিষিদ্ধ করে। দ্বিতীয়ত, শান্তি বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকমা বিদ্রোহকে উসকে দেওয়া। তৃতীয়ত, ২০২৪-এর অস্থিরতায় হিন্দু মন্দির ভাঙচুরের জন্য RAW-কে দায়ী করা হয়েছে, যা অনলাইন ডিসইনফরমেশনের অংশ। চতুর্থত, আওয়ামী লীগের সদস্যদের ভারতে আশ্রয় দিয়ে অপারেশন চালানোর অভিযোগ, যা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রত্যাখ্যান করেছে। এই কেসগুলো RAW-এর কৌশলের বৈচিত্র্য দেখায়।
সাইবার গোয়েন্দা ও ডিজিটাল যুদ্ধ: RAW-এর নতুন যুগ
ভারতের RAW আধুনিক যুগে সাইবার গোয়েন্দা এবং ডিজিটাল অভিযানে ব্যাপকভাবে জড়িত। বাংলাদেশে সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া প্রচারণা, হ্যাকিং এবং তথ্য ফাঁসের অভিযোগে RAW-এর নাম উঠে এসেছে। সূত্রে জানা যায়, সংস্থাটি বাংলাদেশের সরকারি ওয়েবসাইট এবং সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্টে নজরদারি চালায়।২০২৪-এর ছাত্র আন্দোলনের সময় ভারতীয় মিডিয়া এবং সামাজিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রচারণার জন্য RAW-কে দায়ী করা হয়। এই সাইবার কৌশলগুলো RAW-কে অদৃশ্যভাবে প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা দেয়।
অর্থনৈতিক প্রভাব ও বাণিজ্যিক নিয়ন্ত্রণ: লুকানো হাত
RAW-এর কার্যকলাপ শুধু রাজনৈতিক নয়, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে। অভিযোগ রয়েছে যে, বাংলাদেশের টেক্সটাইল এবং বিদ্যুৎ খাতে ভারতীয় বিনিয়োগের পিছনে RAW-এর গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক কাজ করে।ভারতীয় কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে প্রভাব বিস্তার এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, সীমান্ত বাণিজ্যে তথ্য ফাঁস এবং অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে RAW-এর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রভাব: অদৃশ্য ম্যানিপুলেশন
RAW শুধু রাজনীতি বা অর্থনীতিতে নয়, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলার অভিযোগ রয়েছে। বলিউড, ভারতীয় মিডিয়া এবং এনজিও-র মাধ্যমে সাংস্কৃতিক প্রভাব বিস্তারের কৌশল ব্যবহার করা হয়।এছাড়া, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভারতীয় সংস্কৃতির প্রভাব বাড়াতে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হয় বলে অভিযোগ। ২০২৫-এর একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, এনজিও-র মাধ্যমে RAW তহবিল সরবরাহ করে সামাজিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করে।
সমালোচনা, অভিযোগ এবং প্রতিরক্ষা: দ্বিমুখী তলোয়ার
RAW-এর কার্যকলাপ নিয়ে সমালোচনা ব্যাপক। অভিযোগ রয়েছে যে, এটি বাংলাদেশকে ভারতের সাথে একীভূত করার চেষ্টা করে। মোদী সরকারের অধীনে RAW-এর অভিযান আরও আক্রমণাত্মক হয়েছে বলে অভিযোগ। অপরদিকে, ভারত RAW-কে তার সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বলে প্রতিরক্ষা করে। তারা বলে যে, অভিযোগগুলো পাকিস্তানী প্রচারণার অংশ। এক্স-এ অভিযোগ উঠেছে যে, RAW বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে সন্ত্রাসীদের অস্ত্র দেয়। কিন্তু RAW-এর সমর্থকরা বলেন, এটি শুধুমাত্র ভারতের স্বার্থ রক্ষা করে।
আধুনিক যুগে RAW-এর ছায়া: অভিযোগ এবং প্রত্যাখ্যান
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে RAW-এর কার্যকলাপ নিয়ে অভিযোগ আরও তীব্র হয়েছে। ২০২৪-এর বাংলাদেশের অস্থিরতায় RAW-এর ভূমিকা নিয়ে গুজব ছড়িয়েছে। কিছু সূত্রে বলা হয়েছে যে, RAW হিন্দু মন্দির ভাঙচুর এবং হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী, যা ভারত-বিরোধী প্রচারণা হিসেবে দেখা হয়। অপরদিকে, পাকিস্তানের আইএসআই RAW-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ।
বাংলাদেশের সীমান্তে RAW-এর কার্যকলাপও আলোচিত। অভিযোগ রয়েছে যে, সংস্থাটি পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র সরবরাহ করে। ২০২৫-এর একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, RAW মোসাদের সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশের সচিবালয় নিয়ন্ত্রণ করছে। এছাড়া, সামাজিক মাধ্যমে RAW-এর এজেন্টদের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছে। নতুন তথ্য যোগ করে বলা যায় যে, ভারত আওয়ামী লীগের অফিসগুলো থেকে অপারেশন চালানোর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
ভারতীয় পক্ষ এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে। তারা বলে যে, RAW শুধুমাত্র ভারতের সুরক্ষায় কাজ করে, এবং বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক। কিন্তু বাংলাদেশী মিডিয়ায় RAW-এর স্টেশন চিফের নাম প্রকাশ হওয়া এবং গোয়েন্দা অভিযানের খবর এই অভিযোগগুলোকে জোরদার করে।
প্রভাব এবং ভবিষ্যত: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ছায়া
RAW-এর কার্যকলাপ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে প্রভাবিত করেছে। একদিকে, এটি স্বাধীনতায় সাহায্য করেছে, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ হস্তক্ষেপের অভিযোগ সৃষ্টি করেছে। সাম্প্রতিক #IndiaOut ক্যাম্পেইন এবং বয়কট ভারতীয় পণ্যের আন্দোলন এর ফল। কিন্তু উভয় দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যেমন টেক্সটাইল এবং বিদ্যুৎ, এটিকে স্থিতিশীল রাখে।
ভবিষ্যতে, RAW-এর কার্যকলাপ কমাতে উভয় দেশের মধ্যে স্বচ্ছতা প্রয়োজন। যৌথ সীমান্ত পাহারা এবং অপরাধ দমনের মতো চুক্তি এতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু যতক্ষণ অভিযোগ থাকবে, ততক্ষণ এই গোপন ছায়া থাকবে। নতুন তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশের রঙিন বিপ্লব ভারতের দোরগোড়ায় একটি চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।


Really insightful article! The focus on user experience in mobile gaming is spot on. Considering platforms like phcrown apk are streamlining access, smooth interfaces are key for Filipino players! Great read.
Responsible gaming is key, and platforms like PhSky prioritize regulatory compliance – good to see PAGCOR standards upheld! Checking out phsky apk for secure options is smart, especially with KYC procedures becoming standard. Remember to gamble within your means!
Interesting read! Transparency with RTP is huge – good to see doodle jump club prioritizing that. Quick withdrawals via GCash/PayMaya are a game-changer for PH players, too! Definitely makes things smoother. 👍